বাংলাদেশে কোন পাখি পালা ও বিক্রি করা বৈধ?
টিয়া, ময়না, শালিক ঘরে পালা গেলেও বিক্রি করা অপরাধ। কোনটা বৈধ আর কোনটা নয়, স্পষ্ট তালিকা।

এই লেখাটি সম্ভবত এই সাইটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখা। বাংলাদেশে বহু মানুষ জানেন না যে তাঁরা যে পাখিটি শখ করে পালছেন বা বিক্রি করছেন, সেটি আইনত নিষিদ্ধ।
যেগুলো বিক্রি করা যাবে না
এই পাখিগুলো দেশি বন্য প্রজাতি। ঘরে পালা হলেও বেচাকেনা অপরাধ:
- টিয়া (সব প্রজাতি) — সবচেয়ে বেশি ভুলটি এখানেই হয়
- ময়না, শালিক, ঘুঘু, মুনিয়া, বুলবুল
- দোয়েল — এটি জাতীয় পাখি
- চড়ুই, টুনটুনি, বাবুই, মাছরাঙা, হরিয়াল
- পেঁচা, বাজপাখি, চিল, ঈগল, বক
যেগুলো বৈধ
এগুলো বিদেশি বা গৃহপালিত প্রজাতি, বেচাকেনায় বাধা নেই:
- বাজরিগার, ককাটেল, লাভবার্ড
- জাভা স্প্যারো, ফিঞ্চ (জেব্রা, গোল্ডিয়ান, সোসাইটি)
- কনুর
- কবুতর — গৃহপালিত সব জাত (গিরিবাজ, সিরাজী, লাক্ষা, ময়ূরপঙ্খী)
- কোয়েল, গিনিফাউল
যেগুলোর জন্য কাগজপত্র লাগবে
আফ্রিকান গ্রে, ম্যাকাও, কাকাতুয়া ও অ্যামাজন প্যারট আন্তর্জাতিকভাবে CITES তালিকাভুক্ত। বৈধভাবে আমদানি হলে সনদ থাকবে — কেনার সময় সেই কাগজের কপি অবশ্যই নিয়ে রাখুন, কারণ পরে প্রমাণের দায়িত্ব আপনার।
এই লেখাটি সাধারণ তথ্যের জন্য। আপনার প্রাণীর নির্দিষ্ট সমস্যায় অবশ্যই একজন পশুচিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।








